সন্তান জন্ম দিলেই মিলবে ৭৫ হাজার ডলার – News Portal 24
ঢাকাWednesday , ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সন্তান জন্ম দিলেই মিলবে ৭৫ হাজার ডলার

নিউজ পোর্টাল ২৪
ফেব্রুয়ারী ৭, ২০২৪ ১১:১২ অপরাহ্ন
Link Copied!

সন্তান জন্মদানে অনেকের নানা আনিহা আর অজুহাতের যেনো শেষ নেই। ফলে জনসংখ্যা বাড়াতে নানা দেশে নানা পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। এবার সামনে এসেছে বিস্ময়কর তথ্য। সন্তান জন্ম দিলেই মিলবে ৭৫ হাজার ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৮২ লাখ টাকার বেশি। মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অবিশ্বাস্য এমন সুবিধা কোনো সরকার দেয়নি। দিয়েছে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। আর ঘটনাটি দক্ষিণ কোরিয়ার। জন্মহার অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় দম্পতিদের উৎসাহ দিতে এমন পদক্ষেপ নিয়েছে তারা।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কোম্পানিটি গত সোমবার জানায়, কোনো কর্মীর সন্তান হলে তাকে ১০ কোটি কোরিয়ান ওন বা ৭৫ হাজার ডলার দেওয়ার পরিকল্পনা করছে তারা। এমনকি ২০২১ সালে সেখানকার কর্মীদের ৭০টি সন্তান হয়েছে। এসব পরিবারকেও কোম্পানির পক্ষ থেকে ৭০০ কোটি ওন বা ৫২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। যা বাংলাদেশি টাকায় ৫৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকার বেশি।

কোম্পানির এক মুখপাত্র বলেন, এ সুবিধাটি তাদের সব নারী ও পুরুষ সকল কর্মীর জন্য প্রযোজ্য হবে।

কোরিয়ার পরিসংখ্যন অনুসারে, সন্তান জন্মদান বা ফার্টিলিটি হারে ২০২২ সালে বিশ্বের সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। এ বছর জন্মদানের হার ০. ৭৮। যা ২০২৫ সাল নাগাদ ০.৬৫ এ নেমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়াসহ পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বয়স্ক জনসংখ্যার হার ক্রমেই বাড়ছে। ইউরোপীয় বিভিন্ন দেশও একই সমস্যার মুখে পড়েছে। তবে অভিবাসনের কারণে সেসব দেশে প্রভাব কিছুটা কম পড়ছে। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও চীনের মতো দেশ জনসংখ্যা হ্রাস মোকাবেলায় অভিবাসনে তেমন আগ্রহী নয়। আর্থিক সহায়তা দেওয়া বুইয়ং গ্রুপের চেয়ারম্যান লি জুং কুউন বলেন, কোম্পানি তার কর্মীদের সন্তান প্রতিপালনে আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব করেছে। তিনটি সন্তান আছে এমন কর্মী সরাসরি ২ লাখ ২৫ হাজার ডলার পাবেন। তিনি কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমারা এমন কোম্পানি হবো, যারা শিশু জন্মদানে উৎসাহ ও ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

দেশটিতে সরকারসহ বেসরকারি খাতও সন্তান জন্মদানে উৎসাহিত করতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। চীনেও এ ধরনের কর্মসূচির প্রচলন রয়েছে। দেশটিতে গত দুই বছর ধরে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার হ্রাস পেয়েছে।