ঢাকাSaturday , ২০ মে ২০২৩

কমে যাওয়া ব্লাড প্রেশার নিমেষের মধ্যে স্বাভাবিক করতে করণীয় কী?

নিউজ পোর্টাল ২৪
মে ২০, ২০২৩ ১২:১৩ অপরাহ্ন
Link Copied!

রক্তচাপ স্বাভাবিকের চেয়ে কম হলে হৃদপিন্ড, মস্তিষ্ক ও শরীরের অন্যান্য অংশে রক্ত প্রবাহ কমে যায়। এতে করে মাথা ঘোরা, মাথা ঝিমঝিম করা, দূর্বলতা এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এ জন্যই ব্লাড প্রেশারকে বলা হয় নিরব ঘাতক।

ব্লাড প্রেশার কমে গেলে মাথা ঘুরতে পারে, দুর্বল লাগে, চোখ ঝাপসা লাগতে পারে। আবার রক্তচাপ অতিরিক্ত কমে গেলে রোগী অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারে। বেশি বয়সে বিপি স্বাভাবিক ভাবে বাড়ে, তাকে বলা হয় এসেনশিয়াল হাইপারটেনশন। বিপি যদি বড় বয়সেও ছোটবেলার মতো নাইন্টি বাই সিক্সটি থেকে যায়, তা হলে কিন্তু চিন্তার বিষয়।

ব্লাড প্রেশার কমে গেলে মাথা ঘুরতে পারে, দুর্বল লাগে, চোখ ঝাপসা লাগতে পারে। আবার রক্তচাপ অতিরিক্ত কমে গেলে রোগী অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারে
ব্লাড প্রেশার কমে গেলে মাথা ঘুরতে পারে, দুর্বল লাগে, চোখ ঝাপসা লাগতে পারে। আবার রক্তচাপ অতিরিক্ত কমে গেলে রোগী অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারে

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অতিরিক্ত চাপ না থাকলে ব্রেনে, কিডনিতে বা হার্টের ক্যাপিলারির মধ্য দিয়ে রক্ত পৌঁছবে না। ফলে স্ট্রোকও হতে পারে। ‘কিলার’ কথাটা প্রেশার বাড়া বা কমা উভয় ক্ষেত্রেই খাটে। প্রেশার বেশি থাকলে যেমন মাথায় রক্তক্ষরণ হয়ে স্ট্রোক হতে পারে, তেমনই প্রেশার কমে গেলেও কিডনি, ব্রেন ড্যামেজ হবে। তাই বিপি বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া দুটাই খারাপ। ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে কী খাবেন জেনে নিন।

>> একবারে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে দিনে কয়েকবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে দিনে ৬ বার খাওয়ার অভ্যাস করুন।

>> রক্তচাপ কমে গেলে সঙ্গে সঙ্গে লবণ খাবেন। লেবু ও লবণের শরবত পান করতে পারলে ভালো। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে প্রতিদিন একজন মানুষের এক চা চামচ লবণ খাওয়া উচিত। তা হতে পারে ফল বা সবজির সাথে। লবণকে খাদ্য তালিকা থেকে একেবারে বাদ দিয়ে সুস্থ থাকা যাবে না।

>> প্রতিদিন অন্তত আট গ্লাস পানি পান করুন। পানি শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দেয়। আখের রস, ডাবের পানি, বেলের শরবত বা মৌসুমি কোনো ফলের শরবত খেতে পারেন। যাদের লো প্রেশার তাদের জন্য বেদানার শরবত খুব কার্যকর।

>> রক্তচাপ কমে গেলে সঙ্গে সঙ্গে লবণ খাবেন। লেবু ও লবণের শরবত পান করতে পারলে ভালো
রক্তচাপ কমে গেলে সঙ্গে সঙ্গে লবণ খাবেন। লেবু ও লবণের শরবত পান করতে পারলে ভালো

>> এক কাপ চা, কফি পান করেই ব্লাড প্রেসার বাড়াতে পারেন। অথবা এর পরিবর্তে কোলা বা ক্যাফেইনেটেড টি পান করেও একই উপকার পেতে পারেন। ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় রক্তচাপ বাড়াতে ভূমিকা রাখে। অনেক হাইপোটেনশন এপিসোডের কারণ হলো শারীরিক পানিশূন্যতা।

>> সারা রাত ৬/৭ টা আমন্ড ভিজিয়ে রাখুন। সকালে ওঠে পেস্ট করে এর সাথে গরম দুধ মিশিয়ে খেয়ে নিন। এই দুধ আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখবে। কোনো রকম স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা কোলেস্টরেল এই দুধে নেই। এজন্য নিশ্চিন্ত হয়ে খেতে পারেন।

>> তুলসি পাতার অনেক গুণ। তুলসি পাতায় আছে ভিটামিন সি, ম্যাগনেসিয়াম,পটাশিয়াম— এই উপাদানগুলো রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে ৪/৬টি তুলসি পাতা চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। এতে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে।