দুলাভাই দ্বারা ধর্ষণের শিকার শ্যালিকার সন্তান প্রসব - News Portal 24
ঢাকাSunday , ১৫ জানুয়ারী ২০২৩

দুলাভাই দ্বারা ধর্ষণের শিকার শ্যালিকার সন্তান প্রসব

নিউজ পোর্টাল ২৪
জানুয়ারী ১৫, ২০২৩ ১০:২০ অপরাহ্ন
Link Copied!

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার বড়পিলাক এলাকার শাহজাহান মোল্লার যৌন লালসায় বিয়ে ছাড়াই সন্তান জন্ম দিয়েছে এক নারী। এর আগেও সন্তান প্রসবের ঘটনা ঘটেছে। অবৈধ শারিরীক সম্পর্কের জেরে একাধিক গর্ভপাতের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়।

ভুক্তভোগী নারী ময়না বেগম (৩৫) শাহজাহান মোল্লার আপন শালিকা। ময়না বেগম অভিযোগ করেন, শাহজাহান মোল্লা দীর্ঘ ১২ বছর তাকে জোর করে ধর্ষণ করে আসছে। তার বিরুদ্ধে থানায় দুটি মামলা করার পরেও কোন বিচার হচ্ছে না। এ ঘটনা বার বার ঘটার জন্য সমাজের কর্তাদের দায়ি করেন ময়না বেগম।

জানা যায়, ময়না বেগমের স্বামী বাছির মিয়া মারা যাওয়ার পর শাহজাহান মোল্লার কু নজর পরে ময়না বেগমের উপর। বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর আগে শাহজাহান মোল্লা তার সাথে অবৈধ শারিরীক সম্পর্ক করে। বিষয়টি এলাকায় জানা জানি হলে ময়না বেগমকে তার বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তিতে শাহজাহান মোল্লা কৌশলে শালীকা ময়না বেগম কে বাবার বাড়ি থেকে নিয়ে আসে। ময়না বেগম তার স্বামী নাছির মিয়ার ক্রয়কৃত বাড়িতে বসবাস করলে সেখানে গিয়ে আগের মতো জোর করে অবৈধ শারিরীক সম্পর্ক করে। ময়না বেগমকে জোর করে একাধিক সন্তান গর্ভপাত করায় বলেও অভিযোগ শাহজাহান মোল্লার বিরুদ্ধে। ১৩ জানুয়ারি রাতে সন্তান প্রসবের কথা শুনে শাহজাহান মোল্লা আত্মগোপনে চলে গেছেন বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে।

ময়না বেগম অভিযোগ করে বলেন, র্দীঘ ১২ বছর পূর্বে আমার বোনের বাসায় আসলে আমাকে বিভিন্ন রকম প্রলোভন দেখিয়ে আমার সাথে মোল্লা শাহ জাহান একের পর এক শারিরীক সম্পর্ক করে। পরে শাহজাহানের বিরুদ্ধে সমাজে বিচার দিলে সমাজের ব্যক্তিরা থানায় বিচার দিতে বলে। থানার অভিযোগ দিতে গেলে বিচার নেওয়ার জন্য অর্থ দাবি করে যা আমার পক্ষে দেওয়া সম্ভব হয় না। এই ঘটনা নিয়ে দুইটি মামলা দায়ের করলেও এখনো পর্যন্ত তার নির্যাতন থেকে বাচঁতে পরিনি। একের পর এক জোর পূর্বক শারিরীক সম্পর্ক করার জন্য আমাকে বাধ্য করে।

আরও পড়ুনঃ  অজ্ঞাতনামা লাশকে খুঁজে পেতে এগিয়ে আসলো কসবা উপজেলা ছাত্রলীগ

মোল্লা শাহজাহানকে না পেয়ে তার স্ত্রী সুফিয়া বেগমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমার স্বামী এবং আমার বোন দুই জনই এখানে অপরাধী। বিগত ১২ বছর আগে আমার ছেলে অসুস্থ হলে তাকে নিয়ে দেশের বাড়ি রাজশাহী যাওয়ার পর আমার মা এবং বোনকে বাসায় রেখে যাই। সেই সুযোগে আমার স্বামীর সাথে আমার বোনের এক প্রকার প্রেমের সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। যে সম্পর্কের হাত ধরে তারা একে অপরের সাথে অবৈধ শারিরীক সম্পর্কে জড়িয়ে পরে। বিষয়টি জানা জানি হওয়ার পর, আমার বোনকে মায়ের সাথে বাড়িতে পাঠিয়ে দিই। কিন্তু আবারো আমার স্বামী শাহজাহান তাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে আসে। এবং পুনরায় শারিরীক সম্পর্ক করে যার ফলে গতকাল একটি ছেলে সন্তান প্রসব করে।

গুইমারা থানার অফিসার ইনর্চাজ মুহাম্মদ রশীদ এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এখনো পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।