আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: কয়েক দিন ধরে ঘাড়ে ব্যথা হচ্ছিল কিশোরীর। মাকে বিষয়টি জানিয়েছিল সে। কেনো ব্যথা হচ্ছে, তা জানতেই কথিত এক ‘বাবা’র (সাধু বাবা) কাছে মেয়েকে নিয়ে গেছিলেন ওই নারী এবং এক প্রতিবেশী।
আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, ওই ‘বাবা’ মহিলাকে জানান তার দেওরের ‘আত্মা’ ভর করেছে কিশোরীর উপর। এ কথা শোনার পর, মেয়ের ঘাড় থেকে ‘দেওরের ভূত’ নামানোর পরামর্শ চান মহিলা। তখন তাকে বলা হয়, মেয়েকে একটা জঙ্গলে নিয়ে আসতে। সেখানেই যা করার করবেন তিনি।
‘বাবা’র কথামতো এক প্রতিবেশী মহিলার সঙ্গে জঙ্গলের নির্দিষ্ট জায়গায় কিশোরীকে নিয়ে যান তার মা। এর পরই ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়। আর এ কাজে ‘বাবা’কে সহযোগিতা করেন কিশোরীর মা এবং প্রতিবেশী আরেক নারী।
এরপর কিশোরী ঘটনাটি জানিয়ে মুম্বাইয়ের ঠাণের নারপোলি থানায় অভিযোগ দায়ের করে। তার অভিযোগের ভিত্তিতে কিশোরীর মা, প্রতিবেশী নারী এবং ‘বাবা’কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পকসো (শিশুদের যৌন নির্যাতন থেকে সুরক্ষার আইন) আইনে মামলা রুজু করেছে পুলিশ।