ঢামেক মর্গে সারি সারি মরদেহ, একটিও শনাক্ত করা যায়নি – News Portal 24
ঢাকাFriday , ৯ জুলাই ২০২১

ঢামেক মর্গে সারি সারি মরদেহ, একটিও শনাক্ত করা যায়নি

নিউজ পোর্টাল ২৪
জুলাই ৯, ২০২১ ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
Link Copied!

অনলাইন ডেস্ক:: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সজীব গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সেজান জুস কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪৯টি মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আনা হয়েছে।

অ্যাম্বুলেন্স থেকে মরদেহগুলো নামিয়ে ময়নাতদন্তের কক্ষে সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে।

আজ শুক্রবার (০৯ জুলাই) বিকেলে স্থানীয় পুলিশি পাহারায় মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের ঢামেক হাসপাতাল মর্গে নিয়ে আসে।

পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুভাষ চন্দ্র সাহা দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, এখন পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে ৪৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে আনা হয়েছে। আমাদের প্রথম কাজটি হবে মরদেহগুলোর যথাযথ প্রক্রিয়ায় ডিএনএ টেস্ট করে শনাক্ত করা।’

তিনি আরও বলেন, সবগুলো মরদেহ আগুনে পুড়ে ঝলছে গেছে। প্রয়োজনে তাদের মরদেহ ফ্রিজিং করা হবে। আত্মীদের সঙ্গে ডিএনএ সিম্পল মিলিয়ে পরবর্তীতে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

ঢামেক হাসপাতাল মর্গের মর্গ সরকারী সেকান্দার গণমাধ্যমকে জানান, “রূপগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজে আনা হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্স থেকে ৪৯টি মরদেহ নামানো হয়েছে।”

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সজীব গ্রুপের হাশেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডের পর ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও ৪৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে অগ্নিকাণ্ডটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫২ জনে দাঁড়াল।

শুক্রবার (৯ জুলাই) দুপুরে ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স নারায়ণগঞ্জ অফিসের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফীন। তিনি বলেন, ‘পাঁচ অ্যাম্বুলেন্সে করে আমরা ৪৯ জনের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠিয়েছি, ময়নাতদন্তের জন্য।