বেকারত্ব দূরীকরণে বাংলাদেশ যুব শক্তির ৪ দফা দাবি – News Portal 24
ঢাকাFriday , ১৮ জুন ২০২১

বেকারত্ব দূরীকরণে বাংলাদেশ যুব শক্তির ৪ দফা দাবি

নিউজ পোর্টাল ২৪
জুন ১৮, ২০২১ ১২:৪৭ অপরাহ্ন
Link Copied!

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:: আজ ১৮ জুন ২০২১ইং শুক্রবার বিকাল ৩ টায় ২২/১, তোপখানা রোডস্থ বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদের ২য় তলার কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ যুব শক্তির উদ্যোগে “বেকারত্বের অভিশাপ : রাষ্ট্রের ভূমিকা ও যুবসমাজের করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা” কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় বাংলাদেশ যুবশক্তির পক্ষ থেকে ৪ দফা দাবি পেশ করা হয়- (১) শিক্ষিত-প্রশিক্ষিত করোনাকালীন চাকুরি চ্যুত বেকার যুবকদের মধ্যে যারা আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চায় তাদেরকে সহজ শর্তে সহজ কিস্তিতে বিনা সুদে কমপক্ষে ৫ লক্ষ টাকা ঋণ প্রদান করতে হবে। (২) বিদেশে যেতে ইচ্ছুক যুবকদের সরকারি খরচে বিদেশ পাঠাতে হবে, যাওয়ার পর কিস্তিতে অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা রাখতে হবে। (৩) চাকুরি করতে ইচ্ছুক বেকার যুবকদের জন্য সরকারি, আধা সরকারি স্বায়ত্ব শাসিত প্রতিষ্ঠানে শূন্য পদে তড়িৎ নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে। করোনাকালীন চাকুরি চ্যুতদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। (৪) চাকুরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ করতে হবে, আবেদন ফি মওকুফ করতে হবে ও চাকুরি না পাওয়া পর্যন্ত বেকার ভাতা দিতে হবে।

আলোচনা সভায় বক্তরা বলেন, গত ১২ বছরে ক্রমাগত আমাদের জিডিপি বেড়েছে। আমদের বাজেটের আকার দিনকে দিন বড় হয়েছে কিন্তু সে অনুপাতে গত ১২ বছরে দেশে উৎপাদনমুখী বা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার মতো বিনিয়োগ হয়নি, যৎসামান্য বিনিয়োগ যা হয়েছে, তাও হয়েছে সেবা খাতে। প্রকৃতপক্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধি কিংবা দেশের বাজেটের আকার আয়তন বাড়ার তুলনায় দেশে বিনিয়োগ বাড়েনি বরং কমেছে। তাহলে আমাদের এইসব টাকা গেলো কোথায়।

তাঁরা বলেন, বিভিন্ন সুত্র থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায় গত ১২ বছরে শুধুমাত্র পাচার হয়েছে প্রায় ১০ লক্ষ কোটি টাকা। এই টাকাকে যদি বাংলাদেশের ৮৭ হাজার গ্রামে ভাগ করেন তাহলে গ্রামপ্রতি এর পরিমান দাড়ায় ১০ কোটি টাকারও বেশি, ৪৫৫৪ টি ইউনিয়নে ভাগ করলে প্রতি ইউনিয়নের পাচার হয়েছে প্রায় ২২০ কোটি টাকা বা ৫০৭ টি উপজেলা ভাগ করলে উপজেলা প্রতি পাচার হয়েছে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা। এই টাকা প্রতি উপজেলায় বিনিয়োগ করা গেলে, আমাদের যুবশক্তির কর্মসংস্থানের সংকট অনেকাংশে কমে আসতো এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির স্বাভাবিক নিয়মে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের পথ সৃষ্টি করতো।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, রাষ্ট্রচিন্তার সদস্য হাসনাত কাইয়ুম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিকক আব্দুল বাতেন, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ড. মাহবুব হোসেন, হানিফ বাংলাদেশী, বাপ্পি সরদার, দেলোয়ার হোসেন, সভাপতি জিয়াউর রহমান, জামাল উদদিন রাসেল প্রমুখ।