ছাতকে কৈতক হাসপাতালে নার্সদের প্রতারণা বাসায় চেম্বার খুলে রোগী দেখার অভিযোগ! – News Portal 24
ঢাকাSunday , ৩০ মে ২০২১

ছাতকে কৈতক হাসপাতালে নার্সদের প্রতারণা বাসায় চেম্বার খুলে রোগী দেখার অভিযোগ!

নিউজ পোর্টাল ২৪
মে ৩০, ২০২১ ৬:২২ অপরাহ্ন
Link Copied!

জামিল রানা তালুকদার, বিশেষ প্রতিনিধি:: ছাতকের কৈতক হাসপাতালের সিনিয়র নার্সদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক ও নার্সরা মুখোমুখি অবস্থা নেন। এ ঘটনায় যে কোনো সময় হাসপাতালে সংঘর্ষের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জানা যায়, উপজেলার কৈতক হাসপাতালের অধিকাংশ নার্স হয়েছেন চিকিৎসক! তাদের প্রতারণার ফাঁদে পড়ে শত শত রোগী প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন। তারা বাসায় চেম্বার খুলে বসেছেন।

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর কলেজ অব নার্সিং অ্যাকাডেমিক ভবনের মহাপরিচালক অতিরিক্ত সচিব তন্দ্রা শিকদার ২০১৮ সালের ১০ মে সারা দেশে সিনিয়র স্টাফ নার্স পদমর্যাদার কর্মকর্তা কর্তৃক চিকিৎসাপত্র প্রদান ও প্র্যাকটিস করার কোনো সুযোগ নেই মর্মে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেন।

এ প্রজ্ঞাপনকে বৃদ্ধাঙুলি দেখিয়ে এ হাসপাতালের কর্মরত নার্সরা গাইনি চিকিৎসক সেজে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছেন রোগীদের সঙ্গে। এ প্রতারণা বন্ধের লক্ষ্যে কৈতক হাসপাতালের আরএমও ডা. মোহাম্মদ মোজাহারুল ইসলাম ২৮ মার্চ ২১ জন সিনিয়র স্টাফ নার্সের প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধ করাসহ হাসপাতালে সেবা প্রদানকালে টাকা গ্রহণ করার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ সিভিল সার্জন সুনামগঞ্জ, ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবং সুনামগঞ্জ পাবলিক হেলথ বরাবর পাঠিয়েছেন।

এতে আরএমও ডা. মোহাম্মদ মোজাহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে সিনিয়র নার্স কৃষ্ণা রানী দাস ও আমেনা নাহিদের নেতৃত্বে হাসপাতালের সিনিয়র নার্স, ওয়ার্ডবয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা কর্মবিরতির মাধ্যমে প্রতিবাদ করে ৬ এপ্রিল হাসপাতালের গেটের সামনে কর্মবিরতি পালন করেন।

জানা যায়, এ হাসপাতালে অধিকাংশ নার্স চিকিৎসক সেজে তাদের বাসায় চেম্বার খুলে নিয়মিতভাবে রোগী দেখছেন। প্রতিটি রোগীর কাছ থেকে তারা ৩০০ টাকা করে ফি নিচ্ছেন। তারা সাদা কাগজে লিখে দিচ্ছেন প্রেসক্রিপশনও।

চিকিৎসা কাজে ব্যবহৃত সব যন্ত্রপাতি চেম্বারে রাখায় রোগীরা সহজেই বিভ্রান্ত হচ্ছেন। সিনিয়র নার্স আমেনা নাহিদ তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রাইভেট প্র্যাকটিস কখনো করিনি। চিকিৎসকদের অনুমতি নিয়ে মহিলাদের ওষুধ দেওয়া হয়।

সিনিয়র নার্স কৃষ্ণা রানী দাস তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, হাসপাতালের আরএমওর কোনো ধরনের চিঠি ইস্যু করার এখতিয়ার নেই। তারা কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে মহিলাদের ডেলিভারি করাচ্ছেন।