খানসামায় একবার মিমাংসা মেনে নেওয়ার পরেও আবার জমি নিয়ে ভাই ভাই দ্বন্দ্ব, ফের মিমাংসা দাবি – News Portal 24
ঢাকাWednesday , ২১ এপ্রিল ২০২১

খানসামায় একবার মিমাংসা মেনে নেওয়ার পরেও আবার জমি নিয়ে ভাই ভাই দ্বন্দ্ব, ফের মিমাংসা দাবি

নিউজ পোর্টাল ২৪
এপ্রিল ২১, ২০২১ ৫:৩৫ পূর্বাহ্ন
Link Copied!

উজ্জ্বল রায়, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: দিনাজপুরের খানসামায় একবার মিমাংসা মেনে নেওয়ার পরেও আবার জমি নিয়ে ভাই ভাই দ্বন্দ্ব, ফের মিমাংসা দাবি।

গত কয়েক মাস আগে জমি ঘরে পানি ঢুকে আছে। জানা যায় এই পানি ফেলাকে উদ্দেশ্য করে চলছে বলেন, কয়েক মাস আগে আমাদের জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব হয়। পরে চেয়ারম্যানের কাছে গেলে তিনি মৌখিক মিমাংসা ও চৌখিদার পাঠিয়ে সবাইকে নিজ নিজ জমি ভাগ করে দেয় ওঠায়, না রাস্তায় ওঠায়।তারা রাস্তায় ওঠাইছিলো ঘর।মিমাংসা হওয়ার পর সরে নিছে এবং রাস্তা ছোট হওয়ায় সেখানে থাকা কয়টি গাছ আমার বোনরা উপস্থিত হয়ে কেটে ফেলে। পানি ফেলা ও রাস্তার জন্য আমাদের ৩৫সম্পত্তি ২শতক স্মাইলি জমি এখন পর্যন্ত আছে।সেখানে পানি ফেলাইতাম,রাস্তা দিয়ে হাটতাম। কিন্তু আমার ভাই সফিকুল উদ্দিন দাবি করে সেটি আমার জমি। তাই সে জোর করে আমার পানি আটকে দেয় এবং রাস্তাও বন্ধ করে দেয়। কিন্তু আমি তার জমির কাগজের কথা জানতে চাইলে তিনি কাগজ না দেখিয়ে ঝগড়া লাগিয়ে দা, হাসুয়া,কুরাল নিয়ে মারতে আসে। আমি ওদের বেশি কিছু না বলে পিছিয়ে পড়ায় কোন মারামারি হয়নি।

চেয়ারম্যান মৌখিক বিচারের কথা বললে তিনি বলেন, চেয়ারম্যান যে মৌখিক বিচার দিছিলো সেটা ভালোই ছিলো। কিন্তু আমার ভাই আবার গায়ের জোরে এরকম করতেছে।তাই আমি আবারো এবার জমির কাগজপত্র দেখে, কাগজকলমে দ্রুত বিচার করার অনুরোধ জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে সফিকুল উদ্দিনের কাছে জানতে গেলে সেখানে তাকে উপস্থিত না পেয়ে তার ছেলে সবুজ ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চেয়ারম্যান পূর্বের জমি নিয়ে দ্বন্দ্বের বিষয়ে কোন আইনি কাগজ দেয়নি। আমাদের বাসা নিয়ে সমস্যা হইছিলো, বাসা নিয়ে স্টেটমেন্ট হইছে, পানি ফেলা নিয়ে কোন বিচার হয়নি। পানি ফেলা নিয়ে চেয়ারম্যানকে বলছিলাম, চেয়ারম্যান বলে যে পানি ফেলাছে ফেলাউক তাবোদ পরে বেবস্থা করবে। কিন্তু অনেকদিন পানি ফেলার পরেও ওরা এখন পর্যন্ত কোন বেবস্থা করেনি।স্মাইলি জমি দিয়ে যে রাস্তা ছেড়ে দেওয়া আছে সে রাস্তা আমরা ছেড়ে দিলাম। কিন্তু তারা স্মাইলি রাস্তা দিয়েও বাইর হচ্ছে আবার কওলার জমি দিয়েও বাইর হচ্ছে দেড় মাস থেকে। আমিকি আমার কওলার জমি দিয়ে হাটতে দিবো।আমার গুয়ার গাছ, কলার গাছ, শিমলের গাছ এগুলো কাটলো কেনো। ওনার জমি আমাদের জমির পিছনে আছে। তাদেরকে বলছিলাম পাইপ দিয়ে পানি নিয়ে যেতে আমাদের জমি তল দিয়ে। কিন্তু সেটা করেনি এখন ঝগরা লাগছে আমি যাবার দেবো কেনো।

তিনি বলেন আমার জমি আমার কাছে সোনা। ওনার কাছে ওনার জমি সোনা। আমার জমিতে আমি হাগি,মুতি, নেংটায় নাছি ওনার দেখার বিষয় না। ওনার জমি ওনি কি করে করুক আমার দেখার বিষয় না। আমার কথা হচ্ছে ওনার জমি যেখানে আছে সেখানে পানি ফেলাউক,স্মাইলি ঘাটা আছে স্মাইলি ছেরে দিক আমার কোন আপত্তি নেই। আমি যতটুকু পাই তটটুকু আমি দখল ধরে আছি বসবাস করতেছি।আমি আমার জমি ৫ শিকি আনাও কাউকে সুযোগ সুবিধা দিতে পারবো না।

মিমাংসা বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমরা অনেক মিমাংসা করছি।আমরাই বরং নিজেই ছেলেআন্ডার হইছি। মিমাংসার এখানে কি আছে, আমি আমার কওলার জমিতে কিছু ফেলতে দিবোনা। আমরা বাপ বেটা ২ জন আছি বিধায় আমাদের মারিয়াকি জায়গা নিবে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান সাজেদুল হক সাজু বলেন, পূর্বের জমি নিয়ে ভাই ভাই দ্বন্দ্বে একটি মৌখিক মিমাংসা হইছিলো।